
বিবিসি ওয়ান নিউজ
নিজস্ব প্রতিবেদন
শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষকরা শিক্ষার মেরুদন্ড। কিন্তু শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে দেখা যায়। শিক্ষক সমস্যায় পড়লে শিক্ষার গুণগত মান অর্জন করা যায় না। তাই সার্বিক নিরাপত্তার শিক্ষকতা পেশা এখন সময়ের দাবি।
যদিও শিক্ষকতাকে একটি মহান পেশা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কিন্তু আসলে এটি একটি অত্যন্ত অবহেলিত পেশা। অন্যদের মতো শিক্ষকদের সার্বিক নিরাপত্তা নেই। এ কারণে মেধাবীরা এ পেশায় আসতে চান না।

শিক্ষার সুষ্ঠু বিকাশ শিক্ষকদের দায়িত্বে। আর এ জন্য শিক্ষকদের দক্ষ ও যোগ্য হতে হবে। এছাড়া দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষকের ঘাটতির দিকেও নজর দিতে হবে।
শিক্ষক সংকট রোধে নানা উদ্যোগ নিতে হবে। আমরা যে ধরনের শিক্ষা চাই, সেই ধরনের শিক্ষক আমাদের প্রয়োজন। তাই সবার আগে বুঝতে হবে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কী শেখাতে চাই।
শিক্ষকতা পেশার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে এই পেশায় সার্বিক নিরাপত্তার অভাব দূর করতে হবে। আমাদের এই পেশার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সময় এসেছে। বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে শিক্ষকরা সন্তুষ্ট কিনা তা ভাবা উচিত। তাদের বেতনের মানদণ্ড, জীবন ও জীবিকার বিবেচনায় মানসম্মত হওয়া উচিত। দেখা যায়, শিক্ষকতা দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা হলেও মেধাবীরা এ পেশায় যুক্ত হতে চান না। অন্যান্য পেশার মতো এ পেশায় সার্বিক নিরাপত্তার অভাব। তবে এ পেশায় মেধাবীদের বেশি আসার কথা ছিল।
শিক্ষা খাত বর্তমান সময়ের সেরা বিনিয়োগ খাত। টেকসই উন্নয়ন বা দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের জন্য শিক্ষায় বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষায় বিনিয়োগ পরবর্তী ২০ বছরে ১০ গুণ রিটার্ন দিতে পারে। ফলে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে শিক্ষকতা পেশায় মেধাবীদের আগ্রহ বাড়াতে হবে।
উল্লেখ্য যে, ১৯৯৫ সাল থেকে, প্রতি বছর ৫ অক্টোবরে বিশ্বব্যাপী শিক্ষক দিবস পালিত হয়ে আসছে। এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল এর ৪০১টি সদস্য সংস্থা প্রতিবছর দিবসটি উদযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি থিম নির্ধারণ করে যা জনসচেতনতা বাড়ায়। বিশ্বের ১০০ টিরও বেশি দেশে শিক্ষক দিবস পালিত হয়।