মামলার আসামিকে না পেয়ে সুন্দর স্ত্রী কে কুপ্রস্তাব সংবাদ সম্মেলন করেন ঝুমা

মামলার আসামিকে না পেয়ে সুন্দর স্ত্রী কে কুপ্রস্তাব সংবাদ সম্মেলন করেন ঝুমা

বিবিসি ওয়ান নিউজ

আরিফুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
মামলার আসামিকে না পেয়ে আসামীর স্ত্রী ঝুমা আক্তার কে প্রশাসনের পরিচয় দিয়ে ঘর থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য টানাটানি ও কুপ্রস্তাবের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ঝুমা আক্তার।

ভোলা দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ডের মহাসিন গাজীর স্ত্রী ঝুমা আক্তার কে গত দুইদিন আগে,রাতের অন্ধকারে প্রশাসন পরিচয় দিয়ে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাই।

ভুক্তভোগী ঝুমা আক্তার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমার স্বামীর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের আমলের মামলা হয়েছে। সেই মামলায় তারিখ অনুযায়ী কোর্টে ঠিক মতো হাজীর হচ্ছেন।
কিন্তু স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পালানোর পরপরই চাঁদাবাজেরা মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠে, চর চঞ্চলে গ্রামগঞ্জে চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে, বিভিন্ন সময় লোকদেরকে বিভিন্ন নাম্বার দিয়ে দাদাভাই নাম পরিচয় দিয়ে এ ধরনের চাঁদাবাজি করেন। কিন্তু ওই দিকের চাঁদাবাজির দাদাভাই তান্ডব হুমকি ধামকি শেষ না হতেই। চলে আসছে প্রশাসনের এই তালবাহানা।

আমার স্বামীকে অন্যায় ভাবে গ্রেফতারের চেষ্টা করেছে কয়েকদিন যাবত,রাতের অন্ধকারে কয়েকজন লোক প্রশাসন পরিচয়ে ঘর তল্লাশি করে, ঘরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং টাকা পয়সা সৈন্য অলংকার নিয়ে যাওয়া। এবং ঘরে থাকা মোবাইল সেট ভেঙ্গে ফেলানো থেকে শুরু করে নানান কর্মকাণ্ড চালান তারা।

আমার ছোট শিশু বাচ্চাকেও ছাড় দেয়নি তারা, আমার কোল থেকে কেড়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দেন তারা। মাটিতে পড়ে আমার বাচ্চা কান্নাকাটি করলে আমি ধরতে গেলে আমার মাথায় বন্ধু তাক করে রাখেন। আমাকে বলে তাদের সাথে যাওয়ার জন্য ,তাদের সাথে না গেলে আমার শিশু বাচ্চাকে মেরে ফেলবে এবং আমার স্বামী মহাসিন গাজী কে ক্রোজ পায়ার দিবে বলে হুমকি দেয়।

এছাড়াও প্রতিবেশীর বাসাবাড়িতে ও রাতের অন্ধকারে মহাসিন গাজী কে তল্লাশির নাম দিয়ে চাঁদাবাজি ভাঙচুর লুট তরাজ ওপ্রতিবেশীদেরকেও হয়রানি করছেন করেন তারা।
আমারা এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে মুক্তি কি পাব না, গত পাঁচ এ জুলাই স্বৈরাচার্য সরকার থেকে দেশ মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু আজও আমরা মুক্ত হইনি। যদি মুক্তি পেয়ে থাকি তাহলে আমাদের উপরে এত নির্যাতন কেন কেন এত অত্যাচার কেন প্রশাসনের এই ধরনের তালবাহানা কেন ধর্ষণের চেষ্টার মত কর্মকাণ্ড চালান তারা। আমি এই থেকে মুক্তি পেতে চাই এবং এলাকার লোকও এর থেকে মুক্ত হতে চাই আমরা কিভাবে মুক্ত হব সেটা জানিনা।
আমরা আপনাদের মাধ্যমে দেশের কাছে এই ধরনের নির্যাতন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সহযোগিতা চাচ্ছি আমাদেরকে যেন এই ধরনের নির্যাতন থেকে মুক্ত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *