
বিবিসি ওয়ান নিউজ
নিজস্ব প্রতিবেদন
বর্তমান সময়ে শুধু প্রাপ্ত বয়স্কো মানুষ নয়, আমাদের পরিবারের ছোট বাচ্চারাও প্রতি নিয়ত অসুস্থ হচ্ছে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যেসকল বাচ্চারা স্কুলে যায় তারাও অনেক বেশি অসুস্থ হচ্ছে প্রতিদিন। তাদের বিভিন্ন খাবারে এলার্জি, বমি, পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া সহ নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে আমাদের বাচ্চারা। এক সময় আমরা দেখতাম যে ডায়াবেটিস শুধু বয়স্কো মানুষেরদের হচ্ছে। এখন বর্তমান সময়ে এসে সম্পুর্ন ভিন্ন দেখতে পাচ্ছি আমরা।এখন ছোট বাচ্চাদের ডায়াবেটিস হচ্ছে। বাচ্চারা টাইপ -২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। বিশ বছর আগেও আমরা কল্পনা করতে পারিনি যে বাচ্চারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবে। শুধু ডায়াবেটিস নয়, এক সময় অটিস্টিক ছিল অজানা রোগ যেটি সহজে দেখা যেত না। বর্তমান সময়ে অটিস্টিক আক্রান্ত এমন শিশুকে পাওয়া যায়। আমরা যদি শুধু যুক্তরাষ্ট্র এর আনঅফিসিয়াল হিসাবে তিন ভাগের এক ভাগ শুশি প্রতিবছর অটিস্টিকে আক্রান্ত হচ্ছে। অফিসিয়া ভাবে মাত্র ৩% এর কথা বলা হচ্ছে।
আমরা যারা প্রাপ্ত বয়স্কো আছি খুব কম মানুষই ঔষধ খাইনা। অর্থাৎ আমাদের পরিবারে এবং সমাজে এমন লোক বেশি রয়েছে যাদের ঔষধ ছাড়া দিন চলে না। এবং একটি উপাত্ত বলছে পৃথিবীর ৫০% মানুষ কোন না কোন রোগে আক্রান্ত। এবং পৃথিবীর ৭০% মানুষ রয়েছে যাদের প্রতিদিন ঔষধ সেবন করে থাকে।
বর্তমান সময়ে শুধু প্রাপ্ত বয়স্কো মানুষ নয়, আমাদের পরিবারের ছোট বাচ্চারাও প্রতি নিয়ত অসুস্থ হচ্ছে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যেসকল বাচ্চারা স্কুলে যায় তারাও অনেক বেশি অসুস্থ হচ্ছে প্রতিদিন। তাদের বিভিন্ন খাবারে এলার্জি, বমি, পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া সহ নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে আমাদের বাচ্চারা। এক সময় আমরা দেখতাম যে ডায়াবেটিস শুধু বয়স্কো মানুষেরদের হচ্ছে। এখন বর্তমান সময়ে এসে সম্পুর্ন ভিন্ন দেখতে পাচ্ছি আমরা।এখন ছোট বাচ্চাদের ডায়াবেটিস হচ্ছে। বাচ্চারা টাইপ -২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। বিশ বছর আগেও আমরা কল্পনা করতে পারিনি যে বাচ্চারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবে। শুধু ডায়াবেটিস নয়, এক সময় অটিস্টিক ছিল অজানা রোগ যেটি সহজে দেখা যেত না। বর্তমান সময়ে অটিস্টিক আক্রান্ত এমন শিশুকে পাওয়া যায়। আমরা যদি শুধু যুক্তরাষ্ট্র এর আনঅফিসিয়াল হিসাবে তিন ভাগের এক ভাগ শুশি প্রতিবছর অটিস্টিকে আক্রান্ত হচ্ছে। অফিসিয়া ভাবে মাত্র ৩% এর কথা বলা হচ্ছে।
আমরা যারা প্রাপ্ত বয়স্কো আছি খুব কম মানুষই ঔষধ খাইনা। অর্থাৎ আমাদের পরিবারে এবং সমাজে এমন লোক বেশি রয়েছে যাদের ঔষধ ছাড়া দিন চলে না। এবং একটি উপাত্ত বলছে পৃথিবীর ৫০% মানুষ কোন না কোন রোগে আক্রান্ত। এবং পৃথিবীর ৭০% মানুষ রয়েছে যাদের প্রতিদিন ঔষধ সেবন করে থাকে।
অটোইমিউন ডিজিস এক সময় দেখা যেত বয়স্কো মানুষদের হতে। বৃদ্ধ বয়সে তারা অটোইমিউন ডিজিসে আক্রান্ত হত। কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে সকল বয়সের মানুষ অটোইমিউন ডিজিসে আক্রান্ত হচ্ছে। যদি আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দিকে দেখি তাহলে দেখতে পাব শতকরা ২৫ ভাগ মানুষ অটোইমিউন ডিজিসে আক্রান্ত হচ্ছে। আবার এদিকে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এই গড় আয়ু বৃদ্ধিতে মানুষ অসুস্থ হয়ে জীবন যাপন করছে। দেখা যাচ্ছে ৫০ বছর বয়সে গিয়ে হাই প্রেসার বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে ৫০ বছর বয়সের পর থেকে বাকি ২০ বছর পর্যন্ত ঔষধ খেয়ে বাঁচতে হচ্ছে। এবং ৭০ এর পরে গিয়ে কোন নার্সিং হোমে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে আমাদেরকে। এভাবে হয়ত আরো ১০-১৫ বছর থাকতে পারে। এভাবে বেচে থাকার অর্থ আছে কি?
একটি উপাত্ত থেকে জানা যায় আমেরিকার প্রায় অর্ধেক মানুষ মারা যাচ্ছে স্ট্রোক ও হার্টের রোগে আক্রান্ত হয়ে। পৃথিবীতে মানুষ নানা ভাবে মারা যায়। যেমন আমেরিকায় প্রতি বছর ২৪ হাজার মানুষ রোড এক্সিডেন্টে মারা যায়। এছাড়াও একটি তথ্য বলছে পৃথিবীর ৪.৯ মিলিয়ন মানুষ মারা যায় শুধু খাবার খেয়ে যেসকল রোগ হয় তাঁর মাধ্যমে। অর্থাৎ ফাস্ট ফুড, মানুষের তৈরী খাবার, প্রসেসড ফুড খাওয়ার কারনে নানা রোগ থেকে মারা যায়।